মূল কনটেন্টে যান
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ | ২১ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং
ব্রেকিং নিউজ

কাজে ফিরছেন পোশাকশ্রমিকরা, সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

শেয়ার:ফেসবুকমেসেঞ্জারহোয়াটসঅ্যাপএক্স০ বার শেয়ার

গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে বেতন বাড়ানোর দাবিতে কয়েক দিন ধরে চলা আন্দোলন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। অধিকাংশ শিল্পকারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন পোশাকশ্রমিকরা। এদিকে শিল্পাঞ্চল ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও মহাসড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন পোশাকশ্রমিকরা। এ দাবিতে তারা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় বিভিন্ন স্থানে যানবাহন, মার্কেট ও পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগসহ ভাঙচুর ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কয়েক দিন ধরে অনেক শিল্পকারখানা বন্ধ রাখা হয়।

তবে বৃহস্পতিবার সকালে অধিকাংশ কারখানা খুলে দেওয়ায় শ্রমিকদের নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দিতে দেখা গেছে। তবে কিছু কিছু কারখানা এখনো বন্ধ রয়েছে।

এদিকে শিল্পাঞ্চলের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠে কাজ করছেন বিজিবির ২৫ প্লাটুন সদস্য ও ২৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। পাশাপাশি মহাসড়ক ও শিল্পাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টহল দিচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

শ্রমিকরা বলেন, গত কয়েকদিন যাবত কারখানায় কাজে যোগ দিতে পারেনি। কারখানার সামনে আসার আগেই আন্দোলন দেখে আমরা চলে যেতাম। আজকে সকাল থেকে আন্দোলন হচ্ছে না, তাই কারখানায় প্রবেশ করতাছি।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। কারখানা খুলে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

শেয়ার:ফেসবুকমেসেঞ্জারহোয়াটসঅ্যাপএক্স০ বার শেয়ার

আরও পড়ুন

আপনার মতামত জানান

মন্তব্যের নিয়ম: ভদ্র ও শালীন ভাষায় লিখুন · ব্যক্তিগত আক্রমণ, গুজব, ধর্মীয়/সাম্প্রদায়িক উসকানি ও বিজ্ঞাপন নয় · আপনার মন্তব্য মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে · মন্তব্যের দায় মন্তব্যকারীর নিজের।