মূল কনটেন্টে যান
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ | ২১ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং
ব্রেকিং নিউজ

কোটালীপাড়ায় বৃদ্ধ পিতার ঠাঁই হলো গাছ তলায়!

শেয়ার:ফেসবুকমেসেঞ্জারহোয়াটসঅ্যাপএক্স০ বার শেয়ার

লুৎফর সিকদার- গোপালগঞ্জ-

জীবনের সবটুকু সুখ ও শ্রম বিলিয়ে দিয়ে ৬ সন্তানকে বড় করেছেন বৃদ্ধ হাজী শামসুল হক মোল্লা (৯৫)।জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে সেই সন্তানদের কাছে তিনি এখন বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। ছয় সন্তানের মধ্যে কারো কাছেই তার ঠাঁই হয়নি।ছেলে মেয়েরা সকলে মিলে জমিজমা লিখে নিয়ে তাকে রেখে দিয়েছে বাড়ির পাশে একটি গাছের নিচে।এখানে এখন দিন কাঁটছে বৃদ্ধ শামসুল হক।

বৃদ্ধ শামসুল হক গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার উত্তর হিরন গ্রামের ওমেদ আলী মোল্লার ছেলে।

জানাগেছে, হাজী শামসুল হক মোল্লার দুটি ছেলে ও চারটি মেয়ে রয়েছে। ছেলেদের মধ্যে বড় ছেলে আজিজুল মোল্লা পেশায় একজন ফেরিওয়ালা।ছোট ছেলে রেয়াজুল মোল্লা বাসের হেলপার।

অপরদিকে চার মেয়ের মধ্যে মায়া বেগম, সাবিনা বেগম ও সালমা বেগমকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছোট মেয়ে কাজুলী বেগম শারীরিক প্রতিবন্ধী।

বৃদ্ধ হাজী শামসুল হকের ছোট সন্তান কাজুলী বেগম বাদে আর পাঁচ সন্তান তাদের সংসার সন্তান নিয়ে ব্যস্ত।
গত কয়েক বছর আগে হাজী শামসুল হক তার জমি বিক্রি করে হজ্ব করতে যায়।তখন বাকি জমি জমা সন্তানদের মাঝে ভাগ করে দেন।কিন্তু বর্তমানে বিপত্নীক এই বৃদ্ধের কোন সন্তানই খোঁজ খবর তেমন রাখছে না।

শামসুল হক মোল্লা গত কয়েক দিন ধরে তার বড় মেয়ে মায়া বেগমের বাড়িতে ছিলেন।
কিন্তু আজ মঙ্গলবার সকালে মায়া বেগম তার বৃদ্ধ বাবাকে ভাইদের বাড়িতে নিয়ে আসলে ভাই ও তাদের স্ত্রীরা মিলে হাজী শামসুল হক মোল্লাকে বাড়ি থেকে বের করে একটি গাছে নিচে রেখে দেয়।

এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মাঝে শামসুল হক মোল্লার সন্তানদের নিয়ে একটি বিরুপ প্রতিক্রিয়া হয়।

মায়া বেগম বলেন, আমার স্বামী অসুস্থ্য।তার পরে আমার বাড়িতে আবার প্রতিবন্ধী ছোট বোন কাজুলী থাকে। যার কারণে আমার পক্ষে আমার বাবা কে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

শেয়ার:ফেসবুকমেসেঞ্জারহোয়াটসঅ্যাপএক্স০ বার শেয়ার

আরও পড়ুন

আপনার মতামত জানান

মন্তব্যের নিয়ম: ভদ্র ও শালীন ভাষায় লিখুন · ব্যক্তিগত আক্রমণ, গুজব, ধর্মীয়/সাম্প্রদায়িক উসকানি ও বিজ্ঞাপন নয় · আপনার মন্তব্য মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে · মন্তব্যের দায় মন্তব্যকারীর নিজের।